স্টাফ রিপোর্টার :
ফেনীর পরশুরামে গাড়ি তল্লাশিকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরশুরাম উপজেলা সদরের কলেজ রোডে পরশুরাম থানা পুলিশ ও র্যাপিড একশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব) সদস্যদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই বাহিনীর সদস্যরাই সাদা পোষাকে ছিলেন।
ফেনীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সামান্য ভূলবুঝাবুঝি থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। বিষয়টি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নিস্পত্তি হয়ে যাবে।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, সন্ধ্যার দিকে উপজেলার সীমান্তবর্তী সুবার বাজারের দিক থেকে একটি সাদা ব্যাক্তিগত গাড়ী (প্রাইভেট কার) পরশুরাম সদরের কলেজ রোডে পৌঁছলে পরশুরাম থানার টহলরত পুলিশের একটি টিম প্রাইভেট কারটি গতিরোধ করেন। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই প্রাইভেটকারের যাত্রীরা পুলিশ সদস্যদের সাথে তর্কবিতর্ক শুরু করেন। এক পর্যায়ে হাতাহাতি থেকে মারামারি শুরু হয় ও পুলিশ সদস্যদের মারধর শুরু করে। এসময় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতরা হলেন -পরশুরাম থানার সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) মো. রেজাউল করিম, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএস আই) মোহাম্মদ ইব্রাহিম, পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ নুরুন্নবী ও মাহবুব হোসেন। এদের মধ্যে উপ পরিদর্শক (এএসআই) মো. রেজাউল করিম ও পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ নুরুন্নবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপর দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পরশুরাম থানার একজন উপ পরিদর্শক (এসআই) নাম প্রকাশ না করে বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার সু্বার বাজারের দিক থেকে একটি সাদা প্রাইভেটকারকে আসতে দেখে থানার পুলিশ সদস্যরা উপজেলা সদরের কলেজ রেডে তাদেরকে থামতে সংকেত দেন। কিন্তু র্যাব সদস্যরা গাড়ী থেকে নেমেই নিজেদের পরিচয় না দিয়ে তর্কবিতর্ক ও বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের সাথে হাতাহাতি ও মারামারি শুরু হয়। এ সময় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়। তিনি জানান, পুলিশ সদস্যরা পরিচয় দেওয়ার পরও র্যাব সদস্যরা তাদেরকে মারধর করেন।
স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা আবদুল খালেক মামুন পুলিশের দুইজনকে ভর্তি ও অপর দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ফেনীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গাড়ি তল্লাশিকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি থেকে কথা কাটাকাটি হয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুই বাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরশুরাম গেছেন। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ভুলবুঝাবুঝি অবসান হবে।
এ বিষয়ে কথা বলার বা জানার জন্য র্যাবের কাউকে বারবার মুঠোফোনে ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।
ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান জানান, তিনি বিষয়টি অবগত নন। খোঁজ নিয়ে পরে জানাবেন।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
- » বাংলাদেশ সম্মিলিত শিক্ষক সমাজ ফেনী জেলা আহবায়ক কমিটি গঠিত
- » ফেনী বন্ধুসভার বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ
- » আমার দেশ সম্পাদকের রত্নগর্ভা মাতা অধ্যাপিকা মাহমুদা বেগমের মাগফিরাত কামনায় ফেনীতে দোয়া
- » গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন
- » ফেনীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাংবাদিকদের উপর হামলার গোপন পরিকল্পনা ফাঁস
- » জনতার অধিকার পার্টির চেয়ারম্যানের উপর হামলা, সংবাদ সম্মেলন
- » ফেনী পৌর বিএনপির সদস্য নবায়ন কর্মসূচি উদ্বোধন
- » ফেনীতে হেফাজতের দোয়া মাহফিলে আজিজুল হক ইসলামাবাদী- ‘আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধ থাকলে দেশে আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি হবে না’
- » ফেনীতে হাফেজ তৈয়ব রহ. স্মরণে দোয়ার মাহফিল
- » ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ফেনীতে বিএনপি’র বর্ণাঢ্য বিজয় মিছিল, সমাবেশ “গণহত্যার দ্রুত বিচার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি”









