বিশেষ প্রতিনিধি
ফেনী-৩ আসনের সোনাগাজী উপজেলার একটি ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের সাথে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা হাজী রহিম উল্লাহর উদ্ধত্ত্বপূর্ণ আচরণের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ওই কমিটিকে ঘটনাটি সরে জমিনে তদন্ত করে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে অনুরোধ করেছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনের সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের ভোরবাজার এডভোকেট বেলায়েত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনকালে প্রিজাইডিং অফিসার ও বক্তারমুন্সি শেখ শহীদুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অমির হোসেন চৌধুরীকে গালিগালাজ করে মারতে উদ্ধত্ব এবং হুমকি প্রদান করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা হাজী রহিম উল্লাহ। তার এরূপ আচরণের ঘটনা তদন্তের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন।
ওই কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (রাজস্ব) আহ্বায়ক, সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব ও পুলিশের সোনাগাজী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার, সোনাগাজী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত কমিটির সদস্য করা হয়েছে। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত ঘটনার সরেজমিন তদন্ত পূর্বক বিস্তারিত প্রতিবেদন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট দাখিলের অনুরোধ করা হয়েছে।

জানা যায়, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার ৯নং নবাবপুর ইউনিয়নের ভোরবাজার অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আমির হোসেনকে ডেকে বের করে এনে মারধর করে চোখে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে ফেনী-৩ আসনে স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী হাজী রহিম উল্যাহর বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
প্রিজাইডিং অফিসার আমির হোসেন বলেন, এই কেন্দ্রে তিন হাজার ৬৫৮ মহিলা-পুরুষ ভোটার রয়েছে। ভোটগ্রহণের নারী-পুরুষের জন্য ৮টি বুথ রাখা হয়েছে। সকাল থেকে ভোটাররা এসে সুশৃঙ্খল ভাবে ভোট দিচ্ছিলেন, হঠাৎ করে ঈগল মার্কার প্রার্থী হাজী রহিম উল্যাহ ৭-৮ জন যুবকসহ অতর্কিতভাবে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে আমাকে ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে জিজ্ঞেস করলেন, জাল ভোট কেন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন? এমন কথা বলে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোন করে আমার বিরুদ্ধে বিত্তহীন ভাবে মৌখিক অভিযোগ দেন। আমি এমন নির্দেশ দেয়নি বলা মাত্রই ঈগল মার্কার প্রার্থী হাজী রহিম উল্যাহ আমার মুখে থাপ্পড় মেরে আমার ডান চোখে আঘাত করেন এবং কয়েকবার থাপ্পড় মারার জন্য হাত তুলেন। পরে তিনি গালাগালি করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যান।
ঈগল মার্কার প্রার্থী হাজী রহিম উল্যাহ বলেন, প্রিজাইডিং অফিসার জাল ভোট দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। এই জন্য উনার বিরুদ্ধে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির কাছে মৌখিক ভাবে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
- » বাংলাদেশ সম্মিলিত শিক্ষক সমাজ ফেনী জেলা আহবায়ক কমিটি গঠিত
- » ফেনী বন্ধুসভার বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ
- » আমার দেশ সম্পাদকের রত্নগর্ভা মাতা অধ্যাপিকা মাহমুদা বেগমের মাগফিরাত কামনায় ফেনীতে দোয়া
- » গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন
- » ফেনীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাংবাদিকদের উপর হামলার গোপন পরিকল্পনা ফাঁস
- » জনতার অধিকার পার্টির চেয়ারম্যানের উপর হামলা, সংবাদ সম্মেলন
- » ফেনী পৌর বিএনপির সদস্য নবায়ন কর্মসূচি উদ্বোধন
- » ফেনীতে হেফাজতের দোয়া মাহফিলে আজিজুল হক ইসলামাবাদী- ‘আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধ থাকলে দেশে আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি হবে না’
- » ফেনীতে হাফেজ তৈয়ব রহ. স্মরণে দোয়ার মাহফিল
- » ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ফেনীতে বিএনপি’র বর্ণাঢ্য বিজয় মিছিল, সমাবেশ “গণহত্যার দ্রুত বিচার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি”









